বেলনা আত-তাকওয়া ফাউন্ডেশন - গঠনতন্ত্র

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

ভূমিকা

ইসলাম পৃথিবীর সবচেয়ে আধুনিক এবং প্রগতিশীল এক জীবনব্যবস্থার নাম। ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে যারাই আশ্রয় নিয়েছে তারাই পেয়েছে শান্তি, নিরাপত্তা, অগ্রগতির প্রকৃত ঠিকানা। সময় এবং কালের প্রবাহে ইসলামের অনুসারীদের মধ্যে বিভাজন, ভ্রান্তির বিকাশ, সাময়িক অসুবিধার সৃষ্টি করেছে। আজ মুসলমানরা সত্যিকার পথ নির্দেশনা থেকে বঞ্চিত। বিশ্বের অগ্রগতিতে মুসলমানদের অবদান সবচেয়ে বেশি। শান্তি, স্থিতিশীলতা, অগ্রগতিতে মুসলমানদের তুল্য কোনো শক্তি নেই। এরপরও আজ বিশ্বে কেন এত অশান্তি? কেন এত অরাজকতা? তার অন্যতম কারণ সত্যিকার মুসলমানদের নেতৃত্বের আসন থেকে বিচ্যুতি। সময়ের প্রেক্ষাপটে আজ আমরা এটা তীব্রভাবে অনুভব করছি যে, বিশ্বঅগ্রগতির স্বার্থেই বর্তমান মুসলিম তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে। কারণ তারুণ্যের আছে অজেয়কে জয় করার অদম্য সাহস। তরুণরা অপেক্ষাকৃত নির্লোভ ও সৎ হয়। এজন্য আজ তাদের জেগে উঠতে হবে সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটিয়ে। জ্বলে উঠতে হবে একবুক বেদনা আর উম্মাহর দরদ নিয়ে।

এদেশে ইসলামকে বিষয় হিসেবে ধারণ করে আদর্শিক ধারার লেখালেখির ইতিহাস খুব বেশি দিনের নয়। কয়েক যুগ আগেও এদেশের দ্বীনদার মুসলমানদের নির্ভর করার মতো উল্লেখযোগ্য পঠন-পাঠনসামগ্রী ছিল না। তবে বিগত শতাব্দীর শেষ দিকে এবং চলমান শতাব্দীর শুরুতে এসে আলহামদুলিল্লাহ এ ধারার যথেষ্ট উত্তোরণ ঘটেছে। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে মফস্বল পর্যন্ত ইসলামী ধারার লেখালেখির একটি চর্চা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এ অঙ্গনের শূন্যতার অনুভূতি প্রকটভাবে ধরা পড়ায় তা পূরণে তারা এগিয়ে এসেছেন। মাদরাসাপড়–য়া বা ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী তরুণরা সারা দেশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছেন যারা লেখালেখিতে সরব। তাদের দেখাদেখি অনেকেই এ অঙ্গনে যাত্রা শুরু করতে চাচ্ছেন। তাদের জন্য দরকার পৃষ্ঠপোষকতা, উপযুক্ত দিকনির্দেশনা।

ইসলামী ধারার তরুণ লেখকেরা বিচ্ছিন্নভাবে শত প্রতিকূলতা সত্ত্বেও দ্বীনের স্বার্থে লেখালেখি করে যাচ্ছেন। এ যাত্রায় অভিন্ন ও ঐক্যবদ্ধ একটি প্লাটফর্মের প্রয়োজন তারা দীর্ঘদিন ধরে অনুভব করছেন। সাহিত্যের সুস্থ ও আদর্শিক ধারা সৃষ্টির লক্ষ্যে ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। সেই প্রয়োজনের তাগিদেই লেখকদের ঐক্যবদ্ধ প্লাটফর্ম হিসেবে যাত্রা শুরু হচ্ছে ইসলামী লেখক ফোরামের।

বেলনা আক-তাকওয়া ফাউন্ডেশনের আদর্শ

(ক) মানবতার বন্ধু, সৃষ্টির মহামানব নবী মুহাম্মদুর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নির্দেশিত ও প্রদর্শিত পথ ও পন্থার অনুসরণ।

(খ) কুরআন-সুন্নাহর নির্দেশিত একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান মুসলিমের জন্য অপরিহার্য সঠিক আকীদার অনুশীলন।

(গ) সলফে সালেহীনের পদাঙ্ক অনুসরণ।

(ঘ) মাতৃভাষা বাংলা চর্চার পাশাপাশি আরবী, উর্দু-ফার্সি ও ইংরেজির সহযোগিতা গ্রহণ।

(ঙ) কুরআন সুন্নাহর মানদন্ডে-র ভিত্তিতে বন্ধুত্ব-শত্রুতার নীতি অনুসরণ।

(চ) ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর স্বার্থসংশ্লিষ্ট কাজে সংহতি ও জোরদার সমর্থন।

(ছ) দেশ, স্বাধীনতা ও মানবতার পক্ষে আমাদের অব্যাহত প্রচেষ্টা।

বেলনা আক-তাকওয়া ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য

(ক) দ্বীনদার সম্ভাবনাময় লেখকদের একটি শক্তিশালী প্লাটফরম তৈরি।

(খ) ভবিষ্যত কলমযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দেয়া ও তাদের তত্ত্বাবধান।

(গ) কলমবন্ধুদের অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতার বিষয়টি নিশ্চিত করতে  দীর্ঘ ও স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ।

(ঘ) পেশাদার লেখকদের স্বার্থরক্ষা, অধিকার আদায়, পারস্পরিক ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি এবং অভ্যন্তরীণ সব ধরনের ভেদাভেদ দূর করা।

(ঙ) বাংলা সাহিত্যের মূলধারার সঙ্গে কাজ করা এবং এ ধারার নেতৃত্ব গ্রহণ। সাহিত্যচর্চা, সাহিত্য আড্ডা, সাহিত্য মাহফিল, সাহিত্য পত্রিকা, সাময়িকী প্রকাশ। এ ময়দানে অগ্রজদের সঙ্গে সুসম্পর্ক ও পারস্পরিক ভালোবাসার সেতুবন্ধন।

(চ) লেখক বন্ধুদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্বনির্ভরতা অর্জনে সহায়তা, বিশেষ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দান।

(ছ)  দেশ-জাতি ও ধর্মের ওপর সব ধরনের আগ্রাসন মোকাবেলায় বুদ্ধিবৃত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণ।

(জ)  সুস্থ ও রুচিশীল সংস্কৃতির চর্চা, মাতৃভাষা ও সংস্কৃতিবিরোধী আগ্রাসন প্রতিরোধে বিকল্প পদক্ষেপ গ্রহণ।

(ঝ)  সুস্থ ধারার ভাষা চর্চার মাধ্যমে ঈমান-আকীদা সংরক্ষণ ও সুদৃঢ় করতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো।

বেলনা আক-তাকওয়া ফাউন্ডেশনের উদ্দেশ্য

(ক) আমাদের সব কাজ, কর্মপদ্ধতির একমাত্র উদ্দেশ্য মহান আল্লাহ তাআলার পরম সন্তুষ্টি অর্জন ও মহানবী সা.-এর আদর্শের প্রচার-প্রসার, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সেই আদর্শের বাস্তব অনুসরণ।
(খ)  বিতর্কিত সব বিষয় এড়িয়ে ইসলাম, দ্বীন ও জাতীয় স্বার্থে থিংকিং লেভেলে মেধা প্রয়োগ।
(গ)  সবধরনের রাজনীতির সংশ্লিষ্টতা থেকে মুক্ত থাকা।
(ঘ) পরস্পরের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব ও সুসম্পর্ক তৈরি।
(ঙ) ব্যক্তি বিশেষ নয় জাতীয় স্বার্থে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়ন।
(চ)  ব্যক্তি, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে উদার মানসিকতার লালন ও বিকাশ।
(ছ) সমতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের সংস্কৃতি চর্চা।
(জ) মতের ঐক্য ও মনের মিল আছে এমন লিখিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে পারস্পরিক আন্তরিকতাপূর্ণ সম্পর্ক সৃষ্টি।
(ঝ) পত্র-পত্রিকা ও গণমাধ্যমে কর্মরত ফোরামভুক্ত সদস্যদের ন্যায্য অধিকার রক্ষায় সচেষ্ট থাকবে।

বেলনা আক-তাকওয়া ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম

(ক) ইসলামী তাহ্যীব-তামাদ্দুন চর্চায় বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও কার্যক্রম পরিচালনা করা।

(খ) সময়োপযোগী ও সমসাময়িক বিভিন্ন সৃজনশীল বিষয়, ব্যক্তির জীবন ও সৃষ্টি নিয়ে আলোচনাসভা করা।

(গ) স্ব-রচিত কবিতা ও সাহিত্য আড্ডা, বইপড়া কার্যক্রম, বিতর্ক, সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতা, বিভিন্ন বিষয়ের ওপর পাঠচক্র, সভা, সেমিনার আয়োজন করা।

(ঘ) মাতৃভাষার ব্যাপক চর্চায় উদ্যোগ গ্রহণ। এছাড়া আরবী ভাষাকে কথ্যরূপে প্রকাশের ব্যবস্থা করা।

(ঙ) জাতীয়, আন্তর্জাতিক ও ধর্মীয় দিবসগুলো যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন।

(চ) সমমনা ও সমধারার সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠা।

(ছ) ফোরামের পক্ষ থেকে একটি মাসিক শিশু-কিশোর পত্রিকা ও ত্রৈমাসিক গবেষণাধর্মী পত্রিকা প্রকাশ।

(জ) একটি সমৃদ্ধ প্রকাশনা শিল্প গড়ে তোলা।

(ঝ) ফোরাম সদস্যদের লেখনিগুলো বই আকারে প্রকাশের বিশেষ ব্যবস্থা করা।

(ঞ) মানবসেবা ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম গ্রহণ। বৃক্ষরোপণ, নিরক্ষরতা দূরীকরণ, বন্যার্ত, শীতার্ত, দুর্গত মানুষের সহায়তা দান ইত্যাদি সামাজিক ও মানবসেবামূলক কর্মকা- পরিচালনা করা।

(ট) বিভিন্ন ছুটিতে অন্তত বছরে একবার ফোরাম সদস্যদের নিয়ে দিনব্যাপী শিক্ষাসফর ও ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ।

বেলনা আক-তাকওয়া ফাউন্ডেশনের নীতিগত সিদ্ধান্ত

(ক) কমিটির সদস্য একই পদে কতদিন থাকবে বা পরিবর্তন হবে তা মূল কমিটি নির্ধারণ করবে।
(খ) কার্যনির্বাহী কমিটিকে প্রতি ২ (দুই) মাসে অন্তত একটি বৈঠক করতে হবে। বৈঠকের আলোচনা ও সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ করতে হবে।
(গ) সঙ্গত কারণ ছাড়া কেউ তিন মাস বৈঠকে অনুপস্থিত থাকলে তার সদস্যপদ বাতিল করা যেতে পারে।
(ঘ) কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদ হবে ……
(ঙ) সমাজ বা রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত কেউ ফোরামের সদস্য হতে পারবেন না। প্রকাশ্য শরিয়তবিরোধী কোনো কাজের সঙ্গে কারো সংশ্লিষ্টতা প্রমাণ হলে তাকে সদস্যপদে রাখা হবে না।
(চ) সংগঠনের কোনো কর্মসূচিতে কোনো প্রতিষ্ঠান সহায়তা করতে বা যুক্ত হতে চাইলে তা নির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক গ্রহণ করতে হবে।
(ছ) এই গঠনতন্ত্র প্রথম নির্বাহী কমিটির মেয়াদে বলবৎ থাকবে। পরবর্তী সাধারণ সভায় সদস্যদের পরামর্শ ও প্রস্তাবক্রমে পরিবর্তন-পরিবর্ধন করা যাবে।

বেলনা আক-তাকওয়া ফাউন্ডেশনের কাঠামো

ইসলামী লেখক ফোরামের লক্ষ্য উদ্দেশ্য ও কার্যাবলী বাস্তবায়নের জন্য তিনটি পরিষদ থাকবে।
(ক) উপদেষ্টা পরিষদ
(খ) কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ
(গ)  সাধারণ পরিষদ

বেলনা আক-তাকওয়া ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা পরিষদ

(ক) উপদেষ্টা পরিষদ ফোরামের উপদেষ্টা হিসেবে পরিচয় দান করবেন এবং ফোরামের কাঠামোর সক্রিয় অংশ হিসেবে বিবেচিত হবেন। ফোরামের বিস্তার, চেতনা বিকাশ ও আর্থিক বিষয়াদির ব্যাপারে পরামর্শ দেবেন। উপদেষ্টাগণ নির্বাহী পরিষদের বিশেষ আমন্ত্রণে মিটিংয়ে উপস্থিত থাকতে পারবেন এবং প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারবেন। ফোরামের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও আভ্যন্তরীণ বিবেদসহ যেকোনো বিষয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন।
(খ) উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সংখ্যা হবে কার্যকরি পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক।
(গ) ফোরামের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও কার্যাবলীর সঙ্গে যেসব বিশেষ গণ্যমান্য ব্যক্তি ঐকমত্য পোষণ করবেন এমন বিশিষ্টজনদের নিয়েই এই পরিষদ গঠিত হবে।
(ঘ) ফোরামের নির্বাহী পরিষদ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের মনোনীত করবেন।

বেলনা আক-তাকওয়া ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ

(ক) বাংলাদেশ ইসলামী লেখক ফোরামের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য সংখ্যা হবে …………..

(খ) নির্বাহী কমিটির মেয়াদ কতদিন তা মূল কমিটি নির্বাচন করবে।

(গ) জেলা সভাপতিগণ কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের নির্বাহী সদস্যের পদমর্যাদার অধিকারী হবেন।

(ঘ) সাধারণ পরিষদের সদস্যদের উপস্থিতিতে নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাহী পরিষদ গঠিত হবে।

(ঙ) আহ্বায়ক কমিটি প্রথম মেয়াদের নির্বাচনের জন্য একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করবে। নির্বাচনোত্তর কমিশন সদস্যগণ জৈষ্ঠতার ভিত্তিতে নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হবেন।

(চ) নির্বাহী কমিটি প্রয়োজন মনে করলে কোনো কোনো সম্পাদকীয় পদে সম্মানীর বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন।

বেলনা আক-তাকওয়া ফাউন্ডেশনের সদস্য

(ক) সদস্য হওয়ার যোগ্যতা: ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর স্বার্থ নিয়ে লেখালেখি করেন এমন যে কেউ এর সদস্য হতে পারবেন।

(খ) ফোরামের সদস্য হতে হলে কুরআন-সুন্নাহর অনুসারী হতে হবে।

(গ) এই ফোরামের সদস্য হওয়ার বয়সসীমা নেই।

বেলনা আক-তাকওয়া ফাউন্ডেশনের সদস্য পদ বাতিল

(ক)  ফোরামের গঠনতন্ত্রবিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত হলে।
(খ) প্রচলিত ফৌজদারী আইনে দন্ডপ্রাপ্ত হলে
(গ) মানসিকভাবে কোনো সদস্য অসুস্থ বা অপ্রকৃতিস্থ ঘোষিত হলে।

বেলনা আক-তাকওয়া ফাউন্ডেশনের সদস্য সংগ্রহ ও ভর্তি

সাধারণ সদস্য ভতির শর্ত ও নিয়মাবলী:
(ক) ১০০ (একশত) টাকার বিনিময়ে ফোরামের নির্ধারিত ফরম সংগ্রহ করতে হবে।
(খ) ফরমের সঙ্গে পাসপোর্ট সাইজ রঙ্গিন ৩ (তিন) কপি ছবি এবং জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম সনদের ফটোকপি জমা দিতে হবে।
(গ) ফোরামের ভর্তি ফি- ১০০০ (এক হাজার) টাকা মাত্র।

বেলনা আক-তাকওয়া ফাউন্ডেশনের সংগঠনে বর্জনীয়

(ক) নির্বাহী কমিটিকে না জানিয়ে সংগঠনের কোনো সদস্য কোনো অনুদান নিতে পারবেন না।
(খ) গঠনতন্ত্রে ঘোষিত নীতির বিরুদ্ধে যায় বা এর সুনাম ক্ষুন্ন হয়, এমন কোনো কাজ সংগঠন করতে পারবে না।
(গ) জাতি, দেশ ও ধর্মীয় চেতনাবিরোধী কোনো কাজ করতে পারবে না।
(ঘ) কোনো ব্যক্তি, সম্প্রদায় বা গোষ্ঠীর অনুভূতিতে আঘাত লাগে, এমন কোনো কাজ ফোরাম করতে পারবে না।
(ঙ) ফোরাম তা বা পরিচিতিকে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করা যাবেনা।

বেলনা আক-তাকওয়া ফাউন্ডেশনের তহবিল

(ক) তহবিল বলতে ইসলামী লেখক ফোরামের অর্থনৈতিক কর্মকা-কে বুঝাবে।
(খ) ফোরামের সদস্যদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে ভূমিকা রাখার জন্য একটি ফান্ড গঠন করা হবে।
(গ) ফোরামের আয়ের উৎস হবে-
১. সদস্যদের মাসিক চাঁদা
২. সদস্যদের বিশেষ চাঁদা
৩. প্রকাশনা থেকে আয়
৪. সদস্য ভর্তি ফি
৫. ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সরকারি/ বেসরকারি অনুদান।
৬. বিভিন্ন প্রকল্প থেকে অর্জিত মুনাফা।
৭. সভা, সেমিনার, সাংস্কৃতিক কর্মকা- থেকে আয়।

বেলনা আক-তাকওয়া ফাউন্ডেশনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

(ক) মাদ্রাসা ও এতিমখানা

(খ) এতিমদের পাশাপাশি অসহায় দরিদ্র-দের ফ্রী লেখা-পড়ার পাশাপাশি থাকা খাওয়ার ও পরিধান এর ব্যাবস্থা করা। 

 

Print Friendly, PDF & Email